Skip to main content
Source
Ei Samay
Author
দেবদীপ চক্রবর্তী
Date

বিলের সারমর্ম কী?

দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রীদের মূলত আইনের ঘেরাটোপে নিয়ে আসা হচ্ছে এই বিলের মাধ্যমে। দুর্নীতি বা ফৌজদারি যে কোনও অপরাধের জন্য ৩০ দিন হেফাজতে থাকলেই তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা হবে। সেক্ষেত্রে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে না।

কোন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কত মামলা?

Association for Democratic Reforms-এর তথ্য অনুযায়ী দেশের ৩০ জন মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ১২ জনের (৪০ শতাংশ) বিরুদ্ধেই ফৌজিদারি মামলা রয়েছে।

সবথেকে বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির বিরুদ্ধে। মোট ৮৯টি। এর পরেই রয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, যাঁর বিরুদ্ধে ৪৭টি মামলা রয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর বিরুদ্ধে ১৯টি মামলা, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে ১৩টি এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে।

মহারাষ্ট্র ও হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যথাক্রমে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও সুখবিন্দর সিং-এর বিরুদ্ধে চারটি করে মামলা রয়েছে।

এছাড়াও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন দুটি এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান একটি মামলা ঘোষণা করেছেন।

নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর আগে নিজেদের হলফনামায় এই তথ্য দিয়েছেন প্রত্যেকেই। এডিআর মূলত রাজ্য বিধানসভা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৩০ জন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পেয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে ১০ জন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে খুনের চেষ্টা, অপহরণ, ঘুষ এবং ভীতি প্রদর্শনের মামলা।

তবে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ নেহাত কম নয়। ADR রিপোর্ট অনুযায়ী, মোদীর তৃতীয় মন্ত্রিসভার ৭১ জন মন্ত্রীর মধ্যে ২৮ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে ১৯ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। সেই তালিকা রয়েছে বাংলার দুই মন্ত্রীর নামও।


abc