West Bengal election Phase 1 candidates: প্রথম দফার নির্বাচনে ৬৬টি বিধানসভা কেন্দ্র (অর্থাৎ প্রায় ৪৩% কেন্দ্র) ‘রেড অ্যালার্ট কনস্টিটিউয়েন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত। কী এই ‘রেড অ্যালার্ট কনস্টিটিউয়েন্সি’? এই রিপোর্ট তৈরি করেছে এনজিও অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR) এবং পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচ। প্রথম দফার মোট ১,৪৭৫ জন প্রার্থীর স্বঘোষিত হলফনামার ভিত্তিতে।
)
২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। তার আগেই সামনে এল এডিআর-এর রিপোর্ট। যেখানে উঠে এসেছে রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে কোটিপতি কতজন আর 'ক্রিমিনাল' প্রার্থী-ই বা কতজন? কতজনের নামে রয়েছে ফৌজদারি মামলা?
প্রথম দফার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থীদের নিয়ে এডিআর (ADR)-এর বিশ্লেষণে উঠে এসেছে— মোট ২১% প্রার্থী কোটিপতি। আর ২৩%-এর বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা। এডিআর এবং পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচ-এর রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, প্রথম দফার নির্বাচনে ৬৬টি বিধানসভা কেন্দ্র (অর্থাৎ প্রায় ৪৩% কেন্দ্র) ‘রেড অ্যালার্ট কনস্টিটিউয়েন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত। যেখানে ৩ বা তার বেশি প্রার্থী নিজেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার কথা ঘোষণা করেছেন নির্বাচনী হলফনামায়।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের দেওয়া নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, ২৩ শতাংশ প্রার্থী নিজেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার কথা ঘোষণা করেছেন। আর ২১ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি। এই তথ্য প্রকাশ করেছে এনজিও অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR) এবং পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচ। প্রথম দফার মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১,৪৭৫ জনের স্বঘোষিত হলফনামার ভিত্তিতে। এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।
এই প্রার্থীরা সবাই প্রথম দফার ভোটে, ২৩ এপ্রিল, রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১,৪৭৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৪৫ জন, মানে ২৩% প্রার্থী নিজেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ঘোষণা করেছেন। যার মধ্যে আবার ২৯৪ জন, অর্থাৎ ২০% প্রার্থী গুরুতর অপরাধের মামলার কথা জানিয়েছেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯ জন প্রার্থী খুনের মামলায় অভিযুক্ত। ১০৫ জন খুনের চেষ্টার মামলার কথা ঘোষণা করেছেন হলফনামায়। এছাড়াও ৯৮ জন প্রার্থী নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংক্রান্ত মামলার কথা উল্লেখ করেছেন। যার মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর।
